জেল থেকে হাসপাতালে মাওলানা সাঈদী, মাত্র ২ ঘন্টায় অস্বাভাবিক হয়ে গেল ঘটনাটি(ভিডিওসহ)
ফেসবুকের কল্যানে আজ পুরনো এক বাস্তবতা নতুন করে ফের সামনে এলো। আজ সকালে কারাবন্দী আল্লামা দেলাওয়ার হোসেইন সাঈদীকে তার স্বাস্থ্য পরীক্ষার উদ্দেশ্যে অল্প কিছু সময়ের জন্য ঢাকার শাহবাগে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছিলো। তার ছেলে জনাব মাসুদ সাঈদী এই খবরটি ফেসবুকে শেয়ার করলেন, ছবিও দিলেন।
জেলে যারা থাকেন, তাদের অনেককেই এভাবে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে আনা হয়। বাংলাদেশের সকল জেলায় সকল জেল থেকেই প্রতিদিনই এরকম অনেক মানুষকে হাসপাতলে চিকিৎসা বা স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য নিয়ে আসা হয়। এটা কোন অস্বাভাবিক ঘটনা নয়।
কিন্তু অস্বাভাবিক হয়ে গেল আজকের এই ঘটনাটিই। আল্লামা সাঈদীর ছবিসহ এই খবরটি তার ছেলে পোস্ট করার পর মাত্র দুই ঘন্টায় এই পোস্টটি রীতিমতো ভাইরাল। ১০ হাজারেরও বেশী লাইক মাত্র দুই ঘন্টায়। সহস্রবারের বেশী শেয়ার। লাখ খানেকের বেশী মানুষ এত কম সময়ে পোস্টটি দেখেছে। আর নিজেদের টাইম লাইনে কপি করে, যে যার মত ছবি দিয়ে ঘটনার বিবরণ দিয়ে স্ট্যাটাস দিচ্ছেন সেই সংখ্যাও কয়েক হাজার হয়ে যাবে। তাদের স্ট্যাটাসগুলোতে আবার হাজার খানেক লাইক। অবস্থা এমন হয়ে গেছে, আমি যতবারই ফেসবুকে আসছি, সাঈদী সাহেবের খবর ছাড়া নিউজফিডে আর কোন খবরই নাই। মনে হয় দেশে বিদেশে আর কিছুই আজ ঘটেনি।
আলহামদুলিল্লাহ জনপ্রিয়তা কাকে বলে। এত বছরের এত অপমান, অপপ্রচারের পরও আল্লামা সাঈদীকে নিয়ে মানুষের এই আবেগ বিস্ময়কর।
ফেসবুক গোটা সমাজের প্রতিচ্ছবি নয়, তবে সমাজের চিত্র আংশিকভাবে হলেও এখানে ফুটে উঠে। আজকের ঘটনা আবারও সেই পুরনো বাস্তবতাকেই সামনে নিয়ে এলো আর তা হলো আল্লামা সাঈদী: জনপ্রিয়তাই যার অপরাধ।
ফেসবুকের কল্যানে আজ পুরনো এক বাস্তবতা নতুন করে ফের সামনে এলো। আজ সকালে কারাবন্দী আল্লামা দেলাওয়ার হোসেইন সাঈদীকে তার স্বাস্থ্য পরীক্ষার উদ্দেশ্যে অল্প কিছু সময়ের জন্য ঢাকার শাহবাগে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছিলো। তার ছেলে জনাব মাসুদ সাঈদী এই খবরটি ফেসবুকে শেয়ার করলেন, ছবিও দিলেন।
জেলে যারা থাকেন, তাদের অনেককেই এভাবে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে আনা হয়। বাংলাদেশের সকল জেলায় সকল জেল থেকেই প্রতিদিনই এরকম অনেক মানুষকে হাসপাতলে চিকিৎসা বা স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য নিয়ে আসা হয়। এটা কোন অস্বাভাবিক ঘটনা নয়।
কিন্তু অস্বাভাবিক হয়ে গেল আজকের এই ঘটনাটিই। আল্লামা সাঈদীর ছবিসহ এই খবরটি তার ছেলে পোস্ট করার পর মাত্র দুই ঘন্টায় এই পোস্টটি রীতিমতো ভাইরাল। ১০ হাজারেরও বেশী লাইক মাত্র দুই ঘন্টায়। সহস্রবারের বেশী শেয়ার। লাখ খানেকের বেশী মানুষ এত কম সময়ে পোস্টটি দেখেছে। আর নিজেদের টাইম লাইনে কপি করে, যে যার মত ছবি দিয়ে ঘটনার বিবরণ দিয়ে স্ট্যাটাস দিচ্ছেন সেই সংখ্যাও কয়েক হাজার হয়ে যাবে। তাদের স্ট্যাটাসগুলোতে আবার হাজার খানেক লাইক। অবস্থা এমন হয়ে গেছে, আমি যতবারই ফেসবুকে আসছি, সাঈদী সাহেবের খবর ছাড়া নিউজফিডে আর কোন খবরই নাই। মনে হয় দেশে বিদেশে আর কিছুই আজ ঘটেনি।
আলহামদুলিল্লাহ জনপ্রিয়তা কাকে বলে। এত বছরের এত অপমান, অপপ্রচারের পরও আল্লামা সাঈদীকে নিয়ে মানুষের এই আবেগ বিস্ময়কর।
ফেসবুক গোটা সমাজের প্রতিচ্ছবি নয়, তবে সমাজের চিত্র আংশিকভাবে হলেও এখানে ফুটে উঠে। আজকের ঘটনা আবারও সেই পুরনো বাস্তবতাকেই সামনে নিয়ে এলো আর তা হলো আল্লামা সাঈদী: জনপ্রিয়তাই যার অপরাধ।
Comments
Post a Comment